স্টার্টআপ শুরু করা কঠিন না ফান্ডিং পাওয়া কঠিন
বাংলাদেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গত কয়েক বছরে অনেক বড় হয়েছে, তবুও ফান্ডিং পাওয়া এখনও কঠিন। কারণগুলো একটু গভীরে গেলে বুঝা যায় সমস্যা শুধু টাকার না, পুরো সিস্টেমের। অনেকদিন স্টাডি করে কিছু প্রবলেম খুঁজে পেলাম যার কয়েকটি এই পোস্টে শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে 👇
১. ইনভেস্টর ইকোসিস্টেম এখনও ছোট:
বাংলাদেশে ভিসি (VC) বা এঞ্জেল ইনভেস্টর খুব সীমিত। যেমন Bangladesh Venture Capital Limited (BVCL) বা Startup Bangladesh Limited থাকলেও মার্কেট সাইজের তুলনায় এটা খুবই কম। ফলে স্টার্টআপের তুলনায় ইনভেস্টমেন্টের সুযোগ কম।
২. রিস্ক অ্যাভার্স মানসিকতা:
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ইনভেস্টর এখনও রিয়েল এস্টেট, ট্রেডিং বা নিরাপদ ব্যবসায় আগ্রহী। স্টার্টআপে হাই রিস্ক থাকায় তারা সহজে ইনভেস্ট করতে চায় না।
৩. স্কেলেবল আইডিয়ার অভাব:
অনেক স্টার্টআপ আইডিয়া লোকাল সমস্যা সলভ করে ঠিকই, কিন্তু গ্লোবাল স্কেলে এক্সপ্যান্ড করা যায় না। ইনভেস্টররা সাধারণত স্কেলেবল ও এক্সপোর্টেবল মডেল খোঁজে।
৪. ফাইন্যান্সিয়াল ট্রান্সপারেন্সির ঘাটতি:
অনেক স্টার্টআপের প্রপার অ্যাকাউন্টিং, প্রজেকশন বা ডাটা থাকে না। ইনভেস্টররা ডিউ ডিলিজেন্স করতে গিয়ে কনফিডেন্স হারায়।
৫. লিগ্যাল ও রেগুলেটরি জটিলতা:
শেয়ার স্ট্রাকচার, ফরেন ইনভেস্টমেন্ট, ট্যাক্সেশন এইগুলো এখনও জটিল। ফলে বিদেশি ইনভেস্টররা সহজে ঢুকতে চায় না।
৬. এক্সিট অপশন কম:
বাংলাদেশে IPO বা বড় কোম্পানির acquisition কম হয়। ইনভেস্টরদের জন্য exit strategy ক্লিয়ার না থাকলে তারা ইনভেস্ট করতে ভয় পায়।
৭. ট্যালেন্ট ও এক্সিকিউশন গ্যাপ:
আইডিয়া ভালো হলেও execution দুর্বল হয় অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ করে টেক টিম, প্রোডাক্ট স্কেলিং, গ্রোথ স্ট্র্যাটেজিতে।
আমার মতে এই সমস্যা থেকে বের হতে হলে গ্লোবাল স্কেল মাথায় রেখে প্রোডাক্ট বানাতে হবে এবং বিদেশি ইনভেস্টরের জন্য রেগুলেটরি প্রস্তুতি রাখা শক্ত টিম তৈরি করা (বিশেষ করে টেক + গ্রোথ)।