গ্রামে আমার কিছু ন্যাশনালের বন্ধু-বান্ধব আছে।
ওদেরকে দেখতাম সারাবছর কলেজে যায় না, এক্সামের সময় যেতো তাও নকল নিয়ে।
ওদের নাকি পড়াশোনা করা লাগে না, এটা খুব গর্বের সাথে বলতো।
এমনিতেও ন্যাশনালের একাডেমিক কারিকুলামের অবস্থা এমন যে পড়াশোনা করে ভালো সিজি পেলেও চাকরি পাওয়া ওদের জন্য ডিফিকাল্ট।
ফিল্ড মার্কেটিং ছাড়া ন্যাশনালের স্টুডেন্টদেরকে কর্পোরেটে ভালো কোন পজিশনে খুব একটা দেখা যায় না। কিছু আছে যারা নিজ যোগ্যতায় এসেছে।
সিভি তৈরি, কমিউনিকেশন স্কিল এবং টেকনিক্যাল স্কিলে অনেক গ্যাপ আছে এদের। নতুন কিছু শেখার বিষয়েও এদের অনীহা লক্ষ্মণীয়।
ন্যাশনালের একাডেমিক সিস্টেম পরিবর্তন করা এখন সময়ের দাবি।
কিন্তু এর দায়ভার কে নেবে?
রাজনীতিবিদ থেকে বিশেষজ্ঞ কিছুদিন পরপর সবার একটাই ডায়লগ “ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বেকার তৈরীর কারখানা”।
কিন্তু এটা নিয়ে কাজ করার বেলায় কারোর কোনো উদ্যেগ নেই।
টাকার নামে টাকা ঠিকই খরচ হয়ে চলছে কিন্তু দিন শেষে আউটপুট জিরো।